যাঁরা আমাকে পাওয়ার জন্য আমার রাস্তা তালাশ করে
তারা আমার রাস্তা যদি খুঁজে না পায়, আমি আল্লাহ স্বয়ং তাকে রাস্তা দেখিয়ে দেই..!
-সুবহানাল্লাহ..♡
-(সুরা আনকাবুত: ৬৯)
যাঁরা আমাকে পাওয়ার জন্য আমার রাস্তা তালাশ করে
তারা আমার রাস্তা যদি খুঁজে না পায়, আমি আল্লাহ স্বয়ং তাকে রাস্তা দেখিয়ে দেই..!
-সুবহানাল্লাহ..♡
-(সুরা আনকাবুত: ৬৯)
সৌন্দর্য ফুরিয়ে যাবে, উত্তম চরিত্র রয়ে যাবে। 🌸
অতএব, তাকেই বাছাই করুন যার চরিত্র উত্তম। এখানে চরিত্র বলতে ব্যক্তির কথা, কাজ, অন্যের প্রতি আচরণ, দায়িত্ব-কর্তব্য, একনিষ্ঠতা, ধৈর্য, সহনশীলতা ইত্যাদি সকল বিষয়াদিকে বুঝানো হয়েছে।
চেহারার সৌন্দর্য দ্বারা হয়তো কেউ খুব সহজে চোখের পলকে কারও হদয়ে বা কল্পনায় জায়গা করে নিতে পারে। তবে এর ফাউন্ডেশন টা হয় খুব নড়বড়ে। বেশিদিন টিকে না। কিন্তু যে ব্যক্তি উত্তম আচরণ দ্বারা কারও হৃদয়ে জায়গা করে নিলো সে শক্তপোক্তভাবে তার অবস্থানটা কে দৃঢ় করে নিল।
তাই, স্বামী-স্ত্রী উভয়ের প্রতি উপদেশ হচ্ছে এই যে, আপনারা একে অন্যের কাছে নিজেদের উত্তম আখলাক প্রকাশের মাধ্যমে পরস্পরের হৃদয়ে শক্তপোক্তভাবে গেঁড়ে বসুন। এতে করে দিনশেষে ভালোবাসা ও মায়া দু’টোই বৃদ্ধি পাবে এবং সম্পর্ক অটুট থাকবে ইনশাআল্লাহ।
— সংগৃহীত
আমার ও তোমার চোখের শীতলতা হবে।'
[সূরা কাসাস - ৯]
কথাটির প্রবক্তা হলো আসিয়া রা., যা তিনি মুসা আঃ-কে কুড়িয়ে পাওয়ার পর নিজ স্বামী ফেরাউনকে বলেছিলেন। কিন্তু ফেরাউন তাঁর কথায় ভ্রু কুঞ্চিত করে বলেছিল- ' এই শিশু তোমার জন্য চোখের শীতলতা হলেও আমার জন্য নয়।'
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম উক্ত ঘটনাটি সাহাবীদের সামনে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছিলেন, ' আল্লাহর শপথ! সেদিন ফেরাউন যদি আসিয়ার কথা মেনে নিয়ে বলত, আমার জন্যও চোখের শীতলতা হবে, তাহলে আল্লাহ তাকেও হিদায়াত দিতেন, যেভাবে হিদায়াত দিয়েছিলেন আসিয়াকে।'
ভাগ্য কখনো কখনো বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল হয়। কেউ যদি চাকরি করতে গিয়ে বলে, এতে তার অমঙ্গল রয়েছে, তাহলে তার কপালে অমঙ্গলই জুটবে। কেউ যদি বিয়ে করে মনে করে, এখানে বিয়ে করে ঠকে গেলাম, তাহলে তার দাম্পত্য জীবন অসুখেই ভাসবে।
আদহাম শারকাভি
[ কুরআনের চিঠি - ৪৯]
আপনাকে প্রচন্ড কষ্ট দিয়ে, আপনার সাথে বেইনসাফী করে যদি কেউ বাহ্যিক ভাবে সুখে থাকে, খারাপ লাগে আপনার। রাগ হয়, অভিমান হয়। কিন্তু করার থাকে না তখন কিছুই।
“কারো সুখ সহ্য হয় না কেন তোমার” - এসব কথাও শোনা লাগে উল্টো নিজেরই। বোঝানো যায় না কাউকে, এ কষ্ট কারো সুখে থাকা নিয়ে নয়, নিজের সাথে হওয়া প্রতারনার।
চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করার পর যখন কেউ বিশ্বাসের সব দেয়াল ভেঙে দেয়, প্রতারক মানুষটি হাসতে থাকে থাকে তখনো। সে ভাবে জিতে গেলো সে, হেরে গিয়েছি ভাবতে থাকেন তখন আপনিও।
দোর্দন্ড প্রতাপে জালিম হেটে বেড়ায় সগর্বে, মাথা নীচু করে থাকে মাজলুম এক কোনায়।
কুরআনের ছোট্ট একটি সান্তনার বাণী-
“আপনি ধৈর্য ধরুন যতক্ষন না আল্লাহ বিচার করেন” - সুরা ইউনুস:১০৯
অভিশাপ দিবেন না। বলবেন না কোন কটু বাক্য। নিশ্চিত জানুন “যখন আল্লাহ বিচার করেন” কথাটির ওজন এত বেশি, কোন পাহাড়ের চুড়ায় রেখে দিলে, তা থরথর করে কেপে উঠতো।
অপেক্ষা সেদিনের, যেদিন “আল্লাহ বিচার করবেন”। হার জিতের দিন যেদিন, অপেক্ষা সেদিনের।
জাজাকাল্লাহ
চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণের জন্য সবকিছু ভুলে যান। দুনিয়া,ছুটাছুটি,কষ্ট,না পাওয়ার আক্ষেপ,মন খারাপের গল্প কিছুই নেই। চোখ বন্ধ করে ভিন্ন এক জগতে চলে যান। দেখুন আপনি জান্নাতে প্রবেশ করছেন, আপনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তারপর আপনাকে বিশাল এক বাগানে নিয়ে যাওয়া হলো। আপনি জিজ্ঞেস করলেন এত বিশাল গাছের বাগান কার?
আপনাকে বলা হলো, আপনি দুনিয়াতে আল্লাহর যিকির করেছিলেন যার বিনিময়ে আল্লাহ আপনাকে জান্নাতে গাছের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এই হলো সেই প্রতিশ্রুত গাছের বাগান। এখন এই সবই আপনার। যান উপভোগ করুন। অনন্তকাল ধরে।
জানি চোখ খুলেই আবার মাটির পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন। সেই পরিচিত চার দেয়ালের ঘর,খাট, টেবিল,স্মার্টফোন,ল্যাপটপ,নয়টা পাঁচটা অফিস,কষ্ট, দুঃখ,মন খারাপ,মিথ্যা, নোংরামি।
কিন্তু একটু আগে যে জগত থেকে ঘুরে এসেছেন তার কিছুটা রেশ কি নেই?
সেটা আপনাকে কি উৎফুল্ল করেনি?
এই চিন্তার সবচেয়ে বড় দিক হলো এটা আসলে কল্পনা নয়,কেননা দুনিয়ার সবকিছু মিথ্যা হতে পারে, মানুষের প্রতিশ্রুতি মিথ্যা হতে পারে,কিন্তু আপনার রবের প্রতিশ্রুতি মিথ্যা নয়!🥰
সুতরাং যখনই দুনিয়ায় হাঁপিয়ে উঠেন,ভালো কাজ করুন। আর চোখ বন্ধ করে জান্নাত থেকে ঘুরে আসুন। যার জান্নাতের সঞ্চয় বেশি তার মন খারাপ থাকতে পারে না। কেননা চোখ বন্ধ করলেই সে ঠিকই তার সঞ্চয় দেখতে পায়।
শুধু তাই নয়, দুনিয়ার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে যেখানে আমাদের সবচেয়ে উত্তম রি-ইউনিয়ন হতে পারে, সেটা হলো জান্নাত। যেটা নিঃসন্দেহে দুনিয়ায় তাদের সাথে আমাদের ক্ষণিকের বিচ্ছেদকে ভুলিয়ে দেবে। কেননা জান্নাত থেকে আমরা আর কোনোদিন আলাদা হবো না।
চোখ বন্ধ করে একবার চিন্তা করুন, আপনি জান্নাতে প্রবেশ করেছেন, আপনাকে জান্নাতে আপনার প্রাসাদ দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রাসাদের জানালা খুলে পাশের প্রাসাদে চোখ পড়তেই দেখলেন আপনার প্রিয়জন! আর অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
-আরে তুমি এখানে?
-অন্য প্রান্ত থেকে জবাব আসবে, আরে হ্যাঁ, আল্লাহর কাছ থেকে জান্নাতের এই জায়গাটা বরাদ্দ পেয়েছি, আর তুমি?
-আমিও এই জায়গাটা বরাদ্দ পেয়েছি।
- যাক ভালোই হলো, জান্নাতে আমরা প্রতিবেশি, অনন্তকালের। চলো এবার তবে জান্নাতটা ঘুরে দেখি।🤗
এর চেয়ে আনন্দের, প্রশান্তির মিলনমেলা আর কি হতে পারে। জাস্ট ইমাজিন!
বই:কাল আবার পাখিরা আকাশে উড়বে।📚
সুবহান আল্লাহ 🥰
আমার ঘরে ইঁদুর আসে না!
এক নারী একজন সাহাবীকে এসে বললেন, “আমার ঘরে ইঁদুর আসে না!”
ভরা মজলিশের অনেকেই নারীর কথা বুঝতে পারলেন না। কিন্তু, সেই সাহাবী বুঝতে পারলেন। নারীর বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হলেন।
তিনি বললেন,
“তোমার চাওয়ার ভঙ্গি সুন্দর। যাও তোমার ঘরে ইঁদুর আসার ব্যবস্থা করছি।”
সেই নারী চলে গেলেন। কিছুক্ষণ পর দেখলেন তার বাড়িতে অনেক খাবার এসেছে। খাবার পাঠিয়েছেন সেই সাহাবী; যার নাম কায়স ইবনে সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
‘আমার ঘরে ইঁদুর আসে না’ কথাটির মানে হলো- আমার ঘরে খাবার নেই। খাবার নেই বলেই তো ইঁদুর আসে না।
কায়স ইবনে সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন মদীনার সবচেয়ে সম্পদশালী সাহাবী সা’দ ইবনে উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহুর ছেলে।
তথ্যসূত্র:
আল-ইসতিয়াব: ৩/৩৫২।
জীবনের শেষ বয়সে এসে মনে হবে, এক হাত বেশি পাওয়া জায়গার জন্য প্রতিবেশির সাথে ঝ*গড়া করাটা ভুল ছিল। রাত জেগে মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে কারো সাথে চ্যাট করাটা ভুল ছিল। কারো সাথে তর্ক করে বড় কথা বলে তার মনে কষ্ট দেয়াটা ভুল ছিল। দুর্বল কাউকে চোখ রাঙিয়ে ক্ষমতা দেখানোটা ভুল ছিল।
জীবনের শেষ বয়সে এসে মনে হবে, ক্লাসের সবচেয়ে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট না হতে পারলেও খুব ক্ষতি কিছু ছিল না৷ অনেক টাকা জীবনে ইনকাম করতে না পারলেও বড় কোনো ক্ষতি হত না। জীবনের শেষ বয়সে এসে মনে হবে, কষ্ট ছাড়া একটু স্বাভাবিক মৃ*ত্যু*ই শেষ চাওয়া।
ক*ব*রে যে ৩টি প্রশ্ন করা হবে !
১। মান রব্বুকা অর্থঃ তোমার রব কে?
২। মান দীনুকা অর্থঃ তোমার ধর্ম কি?
৩। ওয়া মান নাবীয়ুকা অর্থঃ তোমার নবী কে?
এছাড়াও হাসরের মাঠের ৫টি প্রশ্ন করা হবে
যার সঠিক উত্তর না দিয়ে কেউ এক পা ও অগ্রসর হতে পারবে না।
১। আপনার জীবন কিভাবে অতিবাবিত করেছেন ?
২। যৌবন কাল কোথায় ব্যয় করেছেন ?
৩। ধন-সম্পদ কিভাবে রোজগার করেছেন ?
৪। ধন-সম্পদ কোথায় খরচ করেছেন ?
৫। আল্লাহ আপনাকে যে ইলম (জ্ঞান)দিয়েছেন সে ইলম অনুসারে কি কি আমল করেছেন ?
(তিরমিজি - ২৪১৬, মিশকাত- ৫১৯৭)
দুনিয়ায় সব প্রশ্ন-উত্তর পাওয়ার পরেও যদি আল্লাহর পরীক্ষায় পাস না করতে পারি, তাহলে এর থেকে কপাল পো*ড়া আর কি হতে পারে। মহান রব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন ।(আমীন )
স্বামীর পিতা চিরকালের জন্য মাহরাম - এমনকি তালাক সংঘটিত হওয়ার পরও প্রশ্ন: কোনও মহিলার তালাক সংঘটিত হওয়ার পরও কি তার স্বামীর পিতা (তার শ্বশুর...