জান্নাতি ব্যক্তির গঠন-আকৃতি
কিয়ামতের দিন হিসাব-নিকাশের পর পর্যায়ক্রমে মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করবে। সবার দেহকাঠামো হবে একই রকম। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, সর্বপ্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মুখমণ্ডল হবে পূর্ণিমার রাতের চাঁদের মতো উজ্জ্বল। তারপর যে দল তাদের অনুগামী হবে তাদের মুখমণ্ডল হবে আকাশের সর্বাধিক দীপ্তমান উজ্জ্বল তারকার মতো। তারা না করবে পেশাব আর না করবে পায়খানা। তাদের থুতু ফেলার প্রয়োজন হবে না এবং তাদের নাক থেকে শ্লেষ্মাও বের হবে না। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের তৈরি। তাদের ঘাম হবে মিশকের ন্যায় সুগন্ধপূর্ণ। তাদের ধনুচি হবে সুগন্ধযুক্ত চন্দন কাঠের। বড় চক্ষুবিশিষ্ট হুর হবেন তাদের স্ত্রী। তাদের সবার দেহের গঠন হবে একই। তারা সবাই তাদের আদি পিতা আদম (আ.)-এর আকৃতিতে হবে। উচ্চতায় তাদের দেহের দৈর্ঘ্য হবে ৬০ হাত বিশিষ্ট।
(বুখারি, হাদিস : ৩০৯২) প্রথম আপ্যায়ন
রাসুল (সা.)-এর আজাদকৃত গোলাম সাওবান (রা.) বলেন, এক ইহুদি পণ্ডিত রাসুল (সা.)-কে প্রশ্ন করল, জান্নাতিদের প্রথম আপ্যায়ন কী হবে? তিনি বলেন, মাছের কলিজার টুকরা। সে বলল, এরপর তাদের সকালের নাশতা কী হবে? তিনি বলেন, তাদের জন্য জান্নাতের ষাঁড় জবাই করা হবে, যা জান্নাতের আশপাশে চরে বেড়াত। সে বলল, এর পরে তাদের পানীয় কী হবে? তিনি বলেন, সেখানকার একটি ঝরনার পানি, যার নাম সালসাবিল। সে বলল, আপনি ঠিক বলেছেন। (মুসলিম, হাদিস : ৬০৯)