বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন এমন একটা মেশিনে পরিণত হতে যাচ্ছে যেখানে মুসলমানের সন্তান ঢুকলেও অটোমেটিকালি মুরত|দ হয়ে বের হবে। 


বিভিন্ন কালচারাল ফেস্টের পাশাপাশি ভিন্ন ধর্মালম্বীদের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া, ডিবেটের নামে সমতন্ত্রের পক্ষ নিয়ে কুফরে লিপ্ত হওয়া, একাডেমিক রেজাল্ট ভালো করার জন্য শরীয়াহর সাথে সাংঘর্ষিক বিষয়বস্তুর পক্ষে সাক্ষ্য দেয়া, বিভিন্ন কুফরি আইডলজিসহ ঈমান বিধ্বংসী বিভিন্ন আকিদা যেমন: সেক্যুলারিজম, বিবর্তনবাদ, শরীয়াহর বিপরীতে মানবরচিত আইনের শ্রেষ্ঠত্ব, অকাট্য হারামকে স্বাধীনতা, ফরজ ইবাদতকে চয়েস মনে করা ইত্যাদি বিষয়ে লিপ্ত হয়ে ঈমানহারা হচ্ছে হাজার হাজার মুসলিম সন্তান। 


যেখানে ঈমান নিয়ে টানাটানি হচ্ছে সেখানে পাপাচারের আলাপ টেনে আনাটাও বিলাসিতা বিধায় এসব আপাতত বাদই দিলাম। কিন্তু সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে ঈমান হারিয়ে অনেকে টেরই পাচ্ছে না, ঈমান নবায়ন করছে না। বাকিজীবনটা এভাবেই কেটে যাচ্ছে। 


দ্বীনের খেদমত করার জন্য দ্বীনের বাইরে যাওয়া, কুফরি করা, শিরক করা যদি জায়েজ হতো তাহলে ঈমান আর কুফরের কোনো সংঘর্ষ থাকত না। দুটো পাশাপাশিই চলতো। অথচ ঈমান এবং কুফর দুটো কিছুতেই একত্রে থাকতে পারে না।

স্বামীর পিতা চিরকালের জন্য মাহরাম - এমনকি তালাক সংঘটিত হওয়ার পরও

 স্বামীর পিতা চিরকালের জন্য মাহরাম - এমনকি তালাক সংঘটিত হওয়ার পরও প্রশ্ন: কোনও মহিলার তালাক সংঘটিত হওয়ার পরও কি তার স্বামীর পিতা (তার শ্বশুর...